নতুন খবর রিপোর্ট
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ফেসবুকে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩০ মে) সকাল সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার মহাসড়কের ওপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ২০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে স্থানীয় সোহাগ চেয়ারম্যানের সমর্থকরাই সংখ্যায় বেশি।
স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ আগে আকরাম শেখ নামে এক যুবক চুমুরদী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ‘ঈদের চাল কম দিচ্ছেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সোহাগ মোল্লা’—এমন ভিডিও করে ফেসবুকে প্রচার করেন। এ ঘটনার পর ভাঙ্গা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাদরুল আলম চুমুরদী ইউনিয়ন পরিষদে সত্যতা যাচাই করতে পরিদর্শন করেন।

তিনি চেয়ারম্যান ও আনোয়ার উদ্দিন মেম্বারকে ফোন করে চালের বিষয় তথ্য জানতে চান।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন চেয়ারম্যান সোহাগ মোল্লা।
শুক্রবার (২৭ মে ) সন্ধ্যায় আকরাম শেখের কাছে চাল কম দেওয়ার ভিডিও প্রচারের সম্পর্কে জানতে চান সোহাগ মোল্লার ভাই চন্দন মোল্লা।
এতে আকরাম শেখ উত্তেজিত হয়ে সোহাগ মোল্লার ভাইয়ের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনার পর দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
শুক্রবারের ঘটনার জেরে শনিবার সকালে ফের দুই পক্ষের সসর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। এ ঘটনায় সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এ ব্যাপারে চুমুরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহাগ মোল্লা বলেন, বাবলাতলা গ্রামের টিকটকার আকরাম শেখ তথ্য না জেনে আমার বিরুদ্ধে একটা ভিডিও ফেসবুকে অপ প্রচার করে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করেছেন। ওই ঘটনা সম্পর্কে আমার ভাই চন্দন মোল্লা তার কাছে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান।

ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ থানায় কোনো অভিযোগ করে নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।