• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আট সাধুর মৃত্যুবা‌র্ষিকী কাল মঙ্গলবার সালথায় শিশুর লাশ উদ্ধার ফ‌রিদপু‌রে প্রভাতী প্রাই‌ভেট হাসপাতা‌লে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা, ওটি সিলগালা ভাঙ্গায় রিজার্ভ ট্যাঙ্কে নেমে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফরিদপুরে বা‌সে শিক্ষার্থী‌দের হাফ ভাড়া দাবিতে ছাত্রদলের স্মারক‌লি‌পি প্রদান ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রী নিহত কুমার নদে ডুবে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু মধুখালীতে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ এ নারীর স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা হাতিয়ে নিলো প্রতারক ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন হাসপাতালে ভ‌র্তি  সক‌লের ‌দোয়া ও‌ আশীর্বাদ ‌প্রার্থনা টর্চলাইট জ্বালিয়ে সালথায় দুইপক্ষের সংঘর্ষ আহত ৩০, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন সাবেক সাংসদ শাহ জাফর

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন খবর রিপোর্ট

আগামী ১২ ফেব্রুয়া‌রি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ফরিদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে লড়ার ইচ্ছা থাকলেও বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। ঢাকার চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, বর্তমান শারীরিক অবস্থায় নির্বাচনের মতো কঠিন ঝুঁকি নেওয়া এবং অত্যধিক পরিশ্রম করা তার জন্য সমীচীন হবে না।

তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সাবেক সাংসদ শাহ জাফর নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

তবে ভবিষ্যতে সুস্থতা সাপেক্ষে এলাকার জনকল্যাণ, ধর্মীয় কাজ এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। পরিশেষে তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করে ‘সত্যের জয় হোক, জনতার জয় হোক’ শ্লোগান দি‌য়ে তি‌নি তার বক্তব্য শেষ করেন।

প্রসঙ্গত,, শাহ জাফর প্রথম নির্বাচনে অংশ নেন ১৯৭৯ সালে অনু‌ষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচ‌নে।

ওই সময় তিনি আওয়ামী লীগের (মালেক) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন।

১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বাকশালের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ তিনি বিজয়ী হন ২০০৫ সালের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে।

১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।

২০০১ সালে জাতীয় পার্টি (নাজিউর রহমান মঞ্জু) দলসহ বিএনপির জোট থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category