নতুন খবর রিপোর্ট
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায়
কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ` গরু ও ছাগলের চামড়া মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
দাম কম,ক্রেতা সংকট ও সংরক্ষণ ব্যয়ের কারণে হতাশ হয়ে এ কাজ করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
এতে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন সাধারণ মানুষ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো।
উপজেলার গট্টি, রামকান্তপুর, আটঘর ও সোনাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পর সংগ্রহ করা চামড়াগুলো দীর্ঘ সময় বাড়ির উঠান ও রাস্তার পাশে পড়ে ছিল।
পরে দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কায় চামড়া মাটিচাপা দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বাজারে চামড়ার ক্রেতা না থাকায় এবং দাম অত্যন্ত কম হওয়ায় চামড়া সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান,আগে একটা গরুর চামড়া বিক্রি করে এক থেকে দুই হাজার টাকা পাওয়া যেত।এবার সেই চামড়া ২০০-৩০০ টাকাও কেউ দিতে চায় নি।
শেষ পর্যন্ত পঁচে যাওয়ার আগেই মাটিতে পুঁতে ফেলেছি।
সালথার গট্টি এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জাহিদুর রহমান বলেন, লবণের দাম বেশি। আবার চামড়া রাখার জায়গাও নেই। আড়তদাররা আসে নাই। এত কষ্ট করে চামড়া সংরক্ষণ করে লাভ কি?
তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষও চামড়া সংগ্রহে আগ্রহ দেখায় নি।
স্থানীয়দের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, সংরক্ষণে ভর্তুকি এবং দ্রুত সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা চালু করা না হলে এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে না।