নতুন খবর রিপোর্ট
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে বুধবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একদিন আগে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন।
বুধবার সকাল আটটা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলী ও মাইটকুমরা মসজিদে চারটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া কাটাগড়, সহস্রাইল, দরি সহস্রাইল, মাইটকুমরা, রাখালতলী ও গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের অনুসারী হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে থাকেন।
সহস্রাইল দায়রা শরীফে নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। সেখানে জামায়াতে ইমামতি করেন ধলেরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুফতি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান। এরপর পশু কোরবানি করা হয়।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক ও বোয়ালমারীর কাঁটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক বলেন, “চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফ ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বোয়ালমারীর শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একদিন আগে রোজা ও ঈদ পালন করছেন। এবারও চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, বোয়ালমারীর পাশাপাশি আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের কিছু মানুষও এ জামায়াতে অংশ নেন।
ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কার বলেন, ধলেরচরের কয়েকজন মুসল্লি সহস্রাইল দায়রা শরীফে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
স্থানীয়রা জানান, এ অঞ্চলে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা বহু বছরের পুরনো। নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসরণ করেই তারা প্রতি বছর আলাদা দিনে ঈদ পালন করে থাকেন।