নতুন খবর রিপোর্ট
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে সরকারি খালের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সোনাপুর বাজার এলাকায় সরকারি খালের একাংশ দখল করে কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণ করা হয়েছে। পাশের অংশেও নতুন করে পাকা স্থাপনা তোলার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান,এই খাল দিয়ে নৌপথে বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজারে পণ্য আনা-নেওয়া করা হত। বিভিন্ন সময় দখল ও দূষণে খালটি এখন মৃতপ্রায়। বর্ষা মৌসুম ছাড়া বছরের অন্য সময় খালে পানি থাকে না।
তারা আরও জানান, ওই খালের ওপর টং ঘর বানিয়ে অনেকেই অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করতেন।
হঠাৎ করে খালে স্থায়ী দখল শুরু হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে খালের আরও অংশে দোকান নির্মাণ চলছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,রূপক শীল, হবি মাতুব্বর, উজ্জ্বল মাতুব্বর, আইয়ুব মাতুব্বর, ফারুক মোল্লা, বিল্লাল শেখ, আহাদ আলী মিস্ত্রি এবং ডালিম মোল্লাসহ কয়েকজন খালের জায়গা দখল করে পাকা দোকানঘর নির্মাণ করছে।
তবে দোকান ঘর নির্মাণকারীদের দাবি, জায়গাটি তাদের নিজস্ব জমি। তাদের বৈধ কাগজপত্র ও দলিল রয়েছে।
এ ব্যাপারে সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু বলেন, কয়েক বছর আগে সোনাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার একটি অংশে খাল খননের কাজ করা হলেও বাজারের এ অংশটুকুর খনন না করেই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়। ফলে সোনাপুর বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত কুমার নদ থেকে বাজারের উত্তর পাশের খালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হয় নি। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুকনো মৌসুমে পানির সঙ্কট দুই ধরনের সমস্যাই দেখা দেবে।
তিনি বলেন,আমি খালের জায়গা দখলমুক্ত ও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করেছি। জনস্বার্থে এই জায়গাটা পরিষ্কার রাখা জরুরি। না হলে ভবিষ্যতে এখানে ভরাট হয়ে যাবে এবং পানি চলাচলে বাধাগ্রস্ত হবে।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সরেজমিনে পরিমাপ করে যদি সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ করা হয়। তবে সেগুলো ভেঙে সরকারি জমি উদ্ধার করা হবে।