নতুন খবর রিপোর্ট
ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এএএম মুজাহিদ বেগ।
শনিবার বিকেলে তাঁর ভাইয়ের মালিকানাধীন হাসপাতালে গিয়ে নির্বাচনে সরে দাঁড়াতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুরে চিকিৎসক মহসিন বেগের মালিকানাধীন আনোয়ারা হামিদা চক্ষু হাসপাতালে।
ওই হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান, প্রায় ৩০/ ৩৫ জন মাস্ক পড়া ব্যক্তি হাসপাতালে গিয়ে অকথ্য গালি-গালাজ করে মুজাহিদ বেগকে নির্বাচনে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছে। ঘটনাটি হাসপাতালে সিসি ক্যামেরায়ও ধরা পড়েছে।
ডা. মহসিন বেগের ভাই এএএম মুজাহিদ বেগ ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
তাঁদের গ্রামের বাড়ি চরভদ্রাসন উপজেলার চরহাজীগঞ্জ দোপাডাঙ্গী গ্রামে। নির্বাচনে দাঁড়ানোর পর থেকে বাধা ও হুমকির অভিযোগ করছিলেন ওই প্রার্থী।
ওই হাসপাতালের ম্যানেজার মো. রাজীব হোসেন বলেন, শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মুখে মাস্ক পড়া ৩০/ ৩৫ জন ব্যক্তি হাসপাতালে ঢুকে পড়ে। আমি এগিয়ে গেলে তাঁরা আমাকে বলে, ডাক্তার কই? তুই হাসপাতালের কে? ডাক্তার থাকে না কেন? হাসপাতাল রেখে নির্বাচনে গেলে এখানে চেম্বার করতে দেব না। এ সময় তাঁরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে নির্বাচনে না যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়। মাস্ক পড়ে থাকায় তাদের কাউকে চিনতে পারিনি।
তিনি জানান,ওই ব্যক্তিরা হাসপাতালে প্রায় ১০ মিনিট অবস্থান করেন।
এ ব্যাপারে ডা. মহসিন বেগ বলেন, ‘আমি দুই যুগের বেশি সময় ধরে সারাদেশে সুনামের সঙ্গে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। আজ পর্যন্ত দলমত নির্বিশেষে কেউ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেনি। কিন্তু আজ প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক এসে আমাকে খুঁজতে থাকে। তাঁরা আসার ১০ মিনিট আগেই আমি হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ায় হয়ত হামলা থেকে বেঁচে গেলাম। তিনি আরও বলেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এমন হামলা ন্যক্কারজনক। আমি অবিলম্বে হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। আমার ভাই মুজাহিদ বেগ ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী। তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে এই ঘটনা ঘটাতে পারে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা।
কোতয়ালী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই হাসপাতালের ম্যানেজার রাজীব হোসেনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।